শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২০, ০২:৪৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
শিরোনাম :
জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের করণীয় আমল: করোনায় আক্রান্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট কওমী মাদরাসা খুলতে আলেমদের সাহসী ভূমিকা রাখতে হবে: নদভী পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত করোনায় মুসলমান নাগরিকদের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করছে শ্রীলঙ্কা সরকার প্রবাসীদের জন্য বিনামূল্যে ইকামার মেয়াদ তিনমাস বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন সৌদি সৌহার্দ্য বজায় : ঈদ হোক মোক্ষম করোনা ভাইরাস থেকে আমরা আসলে যে শিক্ষা নিতে পারি -বিল গেটস প্রাকৃতিক দুর্যোগে রাসূল সাঃ যে আমল করতেন এবং তাগিত দিতেন ইতিকাফ রব্বে কারীমের সঙ্গে আলাপনের মহান সুযোগ শবে কদর; সাতাশের রাতই কি সেই দিন? ১২মে দেখা যাবে সুরাইয়া তারকা: মিলবে কী করোনা থেকে মুক্তি? আলেম লেখকদের পাশে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরাম আল্লামা আহমদ শফী ও শীর্ষস্থানীয় আলেমদের ধন্যবাদ সারাদেশের মসজিদ উন্মুক্ত করে দেয়ার জন্য যে সকল শর্তসাপেক্ষে খুলে দেয়া হলো দেশের সকল মসজিদ
করোনায় মুসলমান নাগরিকদের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করছে শ্রীলঙ্কা সরকার

করোনায় মুসলমান নাগরিকদের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করছে শ্রীলঙ্কা সরকার

সমকালীন ডেস্ক:   করোনায় মুসলমান নাগরিকদের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করছে শ্রীলঙ্কা সরকার। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে যারা মৃত্যুবরণ করছেন তাদের মৃতদেহ দাফন করার পরিবর্তে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে!

এ নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে দেশটির সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে। অবশেষে আদালতের দারস্থ হয়েছেন মুসলমানরা। সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা একটি পিটিশন দায়ের করেছেন।

মুসলমানরা মারা গেলে ইসলামের বিধান অনুযায়ী জানাজা শেষে যথাযথ সম্মানের সঙ্গে মৃতদেহ দাফন করা হয়। কিন্তু করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে মৃতদেহ থেকে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে, এমন অযুহাতে মুসলমানদের মৃতদেহও পুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা সরকার। এমনকি করোনা সন্দেহে মারা যাওয়া ফাতিমা রিনোজা নামের তিন সন্তানের এক জননীকেও দিনকয়েক আগে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে!

ফাতিমার স্বামী মোহাম্মদ শফিক স্ত্রীর মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলার হৃদয়বিদারক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন বিবিসির সাংবাদিকের কাছে। তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর করোনার উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর একদিন হঠাৎ করেই সামরিক বাহিনীর লোকজন আমাদের ঘরে আসে। আমাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়ে ফাতিমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কোয়ারেন্টাইন থেকেই শুনতে পাই ফাতিমা মারা গেছেন।

মোহাম্মদ শফিক আরো বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফাতিমার মৃতদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করেনি। এমনকি আমাদেরকে শেষ দেখাটাও দেখতে দেয়নি। উল্টো মৃতদেহ পোড়ানোর ব্যাপারে জোর করে একটা কাগজের মধ্যে আমার বড় ছেলের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। আমি চাই, এই দেশে এমন নিষ্ঠুর আচরণ যেন আর কারো সঙ্গে করা না হয়। আশাকরি, এমন নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে আদালত।

-এটি

সংবাদটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019-2020.somokalin24.com
Desing & Developed BY NewsRush